Sunday, June 13, 2021

ইবলিশ পত্রিকা

 

ইবলিশ পত্রিকার তথ্যপঞ্জি 

ইবলিশের দু'একটি সংখ্যার প্রচ্ছদ


সম্পাদক - রাহেবুল

প্রকাশস্থান - দক্ষিণ দেওগাঁও, ফালাকাটা, আলিপুরদুয়ার-৭৩৫২১৩ 

প্রথম প্রকাশ - ২০১১ খ্রিস্ট অব্দ 

ধরন - কবিতাকেন্দ্রিক নিরীক্ষামূলক পত্রিকা যা কাঠ বাস্তবকেও উপেক্ষা করে না।

মটো - Break The Protocol 

মাধ্যম - ছাপা/পিডিএফ/ব্লগজিন 


ইবলিশের প্রকাশিত কিছু সংখ্যার সংক্ষিপ্ত বৃত্তান্ত রইলো নীচে।  


প্রথম সংখ্যা (২০১১):

প্রথম সংখ্যা উৎসর্গিত ছিল ‘বিদ্রোহীকে’। উত্তরবঙ্গের লিটিল ম্যাগাজিনগুলির একটি তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়া ভালো একটি প্রবন্ধ ও কিছু কবিতার পাশাপাশি এরসাদ হোসেনের একটি দুরন্ত রম্যগদ্য ছিল ‘অন্য লেখা অন্য কথা’ বিভাগে। লেখাটির নাম ‘ফাটা T.V-র ভূ-পরিক্রমা’। সংখ্যাটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ২৪, সাইজ ১/৮ ডিমাই। প্রচ্ছদ সম্পাদক স্বয়ং। মূল্য অনুল্লেখিত।


দ্বিতীয় সংখ্যা (২০১২): 

উৎসর্গিত ছিল ‘every broken-hearted people in the world’। এ সংখ্যায় লোকচর্চার আড়ালে থাকা নস্যশেখ মুসলিম সমাজ তথা উত্তরবঙ্গের রাজবংশী মুসলমানদের নিয়ে একটি প্রবন্ধ ছিল গবেষক জ্যোতির্ময় রায়ের। একটি গদ্য ছিল সম্পাদকের লেখা ‘বি-স্বাদ (বিষাদ) উপসংহার’। আর কিছু তরুণ অচেনা মুখের দুর্দান্ত কবিতা। এ সংখ্যার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল লেখার মাঝে মাঝে সম্পাদকের সরাসরি কথা বলা/সংযোগ করা এবং পুরো পত্রিকাটিতে একটি নাটকীয় প্রসেস ছিল যেমন পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় ওপরে বাঁদিকে ছোট্ট করে লেখা ছিল ‘please wait..’ তারপর সূচিপত্র এলে তার ওপরে ছোট্ট করে ‘welcome’, তারপর সম্পাদকীয় শুরু হলে তার মাথার ওপরে ‘now it’s waiting for you..’ এরপর কবিতা শুরুর পৃষ্ঠায় সবার ওপরে লেখা ‘এবার.. আকাশে উড়ান..’। এইভাবে পুরো পত্রিকাটি সাজানো। এমনকি সবশেষে যে বিজ্ঞাপন তার ওপরে মজা করে লেখা ‘তাহলে এবার.. মুখ ঢেকে যাক বিজ্ঞাপনে’! 

এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ১৬, সাইজ ১/৮ ডিমাই। প্রচ্ছদ সম্পাদক স্বয়ং। ‘দরদাম- ১৫ ট্যাঁ’।


তৃতীয় সংখ্যা (২০১৪): 

উৎসর্গিত ছিল নবারুণ ভট্টাচার্যকে। এ সংখ্যায় শূন্য দশকের তরুণ কবিদের কবিতাই ছিল সবচেয়ে বেশি। প্রচুর ভালো কবিতা এতে প্রকাশিত হয়। ছিল বিকল্প ধারা/অপর কবিতা/নতুন কবিতার কয়েকজন কবির গুচ্ছ কবিতা। দু’টি দুর্দান্ত গদ্য ছিল একটি অমিতাভ প্রহরাজের, ‘অন্য ব্যাপার’। আরেকটি উদয়ার্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অপরাহ্নে মৈথুন কিংবা ব্যক্তিগত গদ্যে মধ্যরাত’। 

এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ৪০, সাইজ ১/৮ ডিমাই। প্রচ্ছদ সম্পাদক স্বয়ং। মূল্য অনুল্লেখিত। 


চতুর্থ সংখ্যা (২০১৯): 

উৎসর্গ—আত্মঘাতী চাষা। এ সংখ্যায় পত্রিকার মূল ভাবনাচিন্তা অক্ষুণ্ণ রেখে কলেবর বেড়েছে, বেড়েছে বিবিধ বিভাগ। যদিও সব বিভাগ স্থায়ী নয় বরং উপস্থিত পরিকল্পনা থেকে জাত। যেমন প্রথম বিভাগ  ‘গদ্যগাথা-গল্পগাছা’, এতে মণিদীপা সেনের ‘অসমক্ষ’ প্রকাশিত হয় যা পাঠক মহলে বিশেষ প্রশংসা পায়। এই সংখ্যাতেই যোগ হয় বর্তমান সময়ে অপরিহার্য ফেসবুক, ব্লগ। ‘ফেসবুক সমাচার’ বিভাগে ফারহানার ‘ফেবুরঙ্গ’ও সুনাম কুড়ায়, এ বিভাগের লেখা সরাসরি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত। এছাড়া তরুণ কবিদের প্রথম কাব্য নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বিভাগ শুরু হয় ‘প্রথম কাব্যির পরশ’ যেখানে কবি উদয়ার্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম কাব্যটি আলোচিত হয়। ‘গল্পাণু’ বিভাগে স্বাতন্ত্রে ভরা একটি ছোট্ট গল্প প্রকাশিত হয় ওয়াহিদার হোসেনের। ‘গল্পঘর’ বিভাগে জয়দীপ চট্টোপাধায়ের একটি অসাধারণ গল্প ‘দেওয়াল/ধূপ = আলো/ছাই’ প্রকাশিত হয়। ফেসবুকের মতন ব্লগও এবারে জোড়ে। ‘ব্লগবুক’ বিভাগে কাজল সেন সম্পাদিত ব্লগজিন ‘কালিমাটি অনলাইন’ ৬৯ সংখ্যার সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। ধর্ম কীভাবে মানবিকতার অন্তরায় তা নিয়ে একটি প্রবন্ধ লেখেন তৈমুর খান। এছাড়া ‘কবিতাগড় ১: নিজস্ব নিজস্বী’, ‘কবিতাগড় ২: গত্‌ডাঙা-গত্‌ভাঙা’ এবং ‘কবিতাগড় ৩: দ্য সহজ শয়তান’ এই তিন বিভাগে বহু বৈচিত্রের বিবিধ ধারার কবিতা প্রকাশিত হয় ২৮ জন কবির। ছিল দু’টি কবিতার বইয়ের পাঠ প্রতিক্রিয়া। ছিল ৮ টি লিটিল ম্যাগাজিনের গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা যেমন ‘তিতির’ পত্রিকার ‘মৃত্যু সংখ্যা’, ‘মল্লার’ এর ‘নারীবিশ্ব’, ‘বিনির্মাণ’ এর ‘আন্তর্জাল সংখ্যা’, ‘আঙ্গিক’ এর ‘নিষিদ্ধ সংখ্যা’ সহ ‘কৌঞ্চদ্বীপ’, ‘রক্তাক্ত মরুদ্যান’ এবং আরও অন্যান্য পত্রিকার বিশদ আলোচনা। 

স্বভাবতই বাজারচলতি বড়ো নাম এ সংখ্যার সূচিপত্রে নেই এবং তা বাদ দিয়েই যারা লিখেছেন দু’একজন ছাড়া কেউই প্রতিষ্ঠিত ছিলেন না কিন্তু হ্যাঁ তারুণ্য, ত্যাড়াবাঁকা কাজ, বিকল্পপথে হাঁটবার ফূর্তি, কিছু নতুন ফ্লেভার এ সংখ্যায় পেলেও পাওয়া যেতে পারে।

এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ৭৮, সাইজ ১/৮ ডিমাই। প্রচ্ছদ সম্পাদক স্বয়ং। তাছাড়া তরুণ শিল্পী বিনায়ক দত্তের আঁকায়-অলংকরণে পুরো পত্রিকা সমৃদ্ধ ছিল। ‘দরদাম কম-বেশি ১০০ টাকা মাত্তর’।


পঞ্চম সংখ্যা (জানুয়ারি ২০২০): 

উৎসর্গ ‘মানচিত্র নয় মানুষকে’। এ সংখ্যাটিতে চতুর্থ সংখ্যার নিয়মিত বিভাগগুলি বজায় থাকে। যেমন ‘ফেসবুক সমাচার’, ‘ব্লগবুক’, ‘প্রথম কাব্যির পরশ’, ‘ লিটিল ম্যাগাজিনের আলোচনা। কবিতার বিভাগ ‘কবিতাগড়: রং-বেরং’- এ যথারীতি নিরীক্ষামূলক ও চলতি লেখার সমাবেশ ঘটে। বাংলা ভাষা-সাহিত্যের বিভিন্ন সাহিত্য আন্দোলন/বিবিধ ধারা/বিকল্পধারা নিয়ে এক সবিস্তার পর্যালোচনা করেন কবি তুষ্টি ভট্টাচার্য তার ‘বিকল্প সাহিত্যের ধারা’ প্রবন্ধে। এছাড়া প্রবন্ধ বিভাগেই বারীন ঘোষালকে স্মরণ করে কবি উমাপদ কর প্রদত্ত প্রথম স্মারক বক্তৃতা ‘বারীনস্মরণি’ প্রকাশিত হয়। অনন্য আজাদ আলোচনা করেন কবি সোহেল ইসলামের প্রথম কাব্য ‘আব্বাচরিত’ এর। ‘ফেসবুক সমাচার’-এ সেখ সাহেবুল হক লেখেন ‘বাঙালি সমাজে লুঙ্গি’। আর ‘চা-এ পে চাচা’ লেখেন ফারহানা। দু’টোই মজাদার এবং সমসাময়িক আর্থসামাজিক পরিস্থিতির ওপর লেখা। ‘পুরাতনী/পুনর্মুদ্রণ’ হিসাবে বাংলার লোক-সঙ্গীত নিয়ে লেখা ভাওয়াইয়া শিল্পী আব্বাসউদ্দিন আহমদের একটি প্রবন্ধ পুনর্মুদ্রিত হয়। যার শিরোনাম ‘বাংলার লোক-সঙ্গীত’ হলেও এটি আসলে উত্তরবঙ্গের লোকসংগীতের ওপর ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ চমকপ্রদ আলোচনা। এছাড়া স্বতন্ত্র স্বাদের অণুগল্প, ঝুরোগল্পও মুদ্রিত হয় এ সংখ্যায়। ‘ব্লগবুক’ বিভাগে থাকে ‘বাক্‌ অনলাইন’ ১৩৮ থেকে অনুপম মুখোপাধ্যায়ের দুরন্ত, ভীষণ প্রাসঙ্গিক সম্পাদকীয়টি। যথারীতি থাকে লিটিল ম্যাগাজিনের আলোচনাও।  

এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ৮৬, সাইজ ১/৮ ডিমাই। প্রচ্ছদ শান্তনু পাত্র। সারা পত্রিকা কবি-নাট্যকার বের্টোলট ব্রেখট এর উদ্ধৃতি/বাণীতে ছিল সজ্জিত । ‘দরদাম কম-বেশি ১০০ টাকা মাত্তর’


ষষ্ঠ সংখ্যা (সেপ্টেম্বর ২০২০): 

ইবলিশ কখনও বিশেষ সংখ্যার ধার না ধারলেও এবারেই প্রথম একটা ভাবনাসুতো/ভাবনাসূত্র ছিল, 'মরণের এপারে'। 

'মরণের এপারে' বসত করছি আমরা সকলে আদ্যি থেকে আজকের করোনা পর্যন্ত। খুব পরিচিত, তবু ভুলে বসি। যেখানে নেতা-নেত্রী-ভোট, উলুখাগড়ার মৃত্যু.. ঘুম.. নির্ঘুম.. দাঙ্গা.. ভিড়.. বেকারত্ব.. আর্তনাদ.. দলিত.. আদিবাসী.. আদিবাসিন্দা.. ধর্মের বিকার.. সাজানো বিচার.. ইসলামবিদ্বেষ.. জলজঙ্গল লুট.. সাসপেন্স.. সাসপেন্সন.. নকশাল.. সরকার.. বেসরকার.. রোগভোগ.. ভোগান্তি.. পুলিশ.. মব-লিঞ্চিং.. ডিনাগরিক.. ঠুঁটোজগন্নাথ.. লড়াই.. খালি পায় হাজার মাইল হেঁটে চলা.. সমাপ্তিহীন সব কান্না-ক্রাইসিস.. সকলই মিলে ছিল ইবলিশ ৬ - মরণের এপারে।

ইবলিশ ৪ এবং ইবলিশ ৫ এর মতন এতেও অনেক ক'টি নিয়মিত বিভাগ রক্ষিত হয়েছে যেমন ‘ফেসবুক সমাচার’, ‘ব্লগবুক’, ‘প্রথম কাব্যির পরশ’, 'লিটিল ম্যাগাজিন পরিক্রমা', সঙ্গে এবারে বাড়তি ব্লগজিন বা পিডিএফ সংখ্যাগুলিরও দু'একটির রিভিউ থেকেছে। যে বিভাগগুলি বইপত্র, লিটল ম্যাগাজিন এর সঙ্গে সঙ্গে ওয়েবজগতকেও দিব্য জুড়ছে। পাঁচজন লেখক—মণিদীপা সেনের দু’টি গদ্য: লেখা ও এপারের ব্যক্তিগত ভাত,  শাস্তি ও মহাজীবন, সোমনাথ বেনিয়ার গদ্য: কে দাঁড়িয়ে, কেনই-বা, ঢি শুমের গদ্য: ওরা আসে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অবাক করে দ্যায় খুন আমার শিল্পের, পৌলমী গুহর গদ্য: পৃথিবী ও জ্ঞানদায়িনী হেতু, দেবজ্যোতি রায়ের গদ্য: দিগন্ত অবধি বিস্তৃত এই বধ্যভূমিতে দাঁড়িয়ে— মোট এই ছ'টি গদ্য এ সংখ্যায় প্রকাশিত, ছিল কিছু দুরন্ত কবিতা, লাজবাব দু’টি গল্প। কবি-লেখকদের সবাই অনামা।

এর পৃষ্ঠা সংখ্যা ৭০, সাইজ ১/৮ ডিমাই। প্রচ্ছদ সম্পাদক স্বয়ং। সারা পত্রিকা জুড়ে ব্যবহৃত হয়েছে শতবর্ষে শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসাবে কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা-কাজ, যা এ সময়টাতেও ভীষণ প্রাসঙ্গিকও। ‘দরদাম কম-বেশি ৫০ টাকা মাত্তর’ (পিডিএফ ফর্ম্যাটের ক্ষেত্রে এই দাম, ব্লগের কোনো সাবস্ক্রিপশন ফি নেই সেটা সবারই জন্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত। ব্লগ: https://iblish6.blogspot.com/, এছাড়া মূল ব্লগ https://www.iblish.in/-তেও সংখ্যাটি পাওয়া যায়, যেখানে লেখক ধরে ধরে লেখার লিংক আছে)।


সপ্তম সংখ্যা (মে, ২০২১):

ষষ্ঠ সংখ্যার মতনই একটা ভাবসূত্র ইবলিশের সপ্তম সংখ্যাতেও ছিল সেটি হলো ‘নিরোর নগরকীর্তন ও তাহার নাগরবৃন্দ’।  সম্পাদক লেখেন “বাঁশি না বীণা না বেহালা কী বাজাতেন নিরো?—কেউ হয়তো জানে ঠিকটা। বাদ্যযন্ত্রটা যদিও কথা না। কথাটা হলো নগরী পুড়ছিল, রোম। আর রাজা নিরো, রাজারা প্রায়শই যেমন হয়, প্রশাসকরা যেমন হয়—বিনোদনে ব্যস্ত থাকেন, মত্ত। প্রজা, গণজনেরও থাকে বিনোদন। হয়তো লোকগানে। কিন্তু সেই গানেরও আগে কিংবা গানেরই সাথে চলে রোজকার রোজগারের জন্যে হাত-পা-মাথা-শরীর। শ্রমের পর শ্রম। আমরা তাই শ্রমিক। কেউ অন্দরঘরে কেউ বাহিরে। হয়তো কেউ রাজারই অনুগত সেনানী। কিন্তু রাজারা প্রজাকে ভুলে গিয়ে যখন ওই বাঁশি না বীণা না বেহালা—বিনোদনে মত্ত তখন খোলা বাজারে মজুতদারি, মাৎসান্যায়, লাশের ওপর ভনভনিয়ে মাছি ওড়ে। কেউ কেউ তা দেখে। কেউ কেউ ভুলে যায়। কেউ সেই স্ক্রিনশট, ফসিলস গুহায় আঁকে, গায়, ম্যাগাজিনে ভরে। মাঝেমাঝে মনেহয় এমন একটা করে নিরো কেবল রাজভবনেই থাকে না, থাকে এই আমার মগজেও। মগজের নিকটজন সেই নিরোর বিহিত করতে পারি কি? ক’জনা পারি? কেউই কি পারি? আসলে দ্যাশ তো একটাই হওয়ার কথা, ছিলও—যে দ্যাশের নাম—দুনিয়া। একটাই দুনিয়া। আর তাতে রাজা নাই। ছিলও না। প্রজাও নাই। ছিলও না। নতুন করে সেই সুদিন কি আসবে আবারও? যখন স্ব-অধীন স্ব-নিয়ন্ত্রিত সকল আমি, সকল মানুষ।”

এ সংখ্যাতেও ছিল ক’জন অপরিচিত অখ্যাত কবির কবিতা। কবিরা অখ্যাত কিন্তু কবিতা খ্যাতি পাওয়ার মতো। ছিল সংখ্যার ভাবনাসূত্রে গাঁথা গদ্যগাথা, তিনটি গদ্য। যথাঃ দেবজ্যোতি রায়ের গদ্য: দিবাস্বপ্ন, সোমনাথ বেনিয়ার গদ্য: স্বরলিপি, অনিমেষের গদ্য: এক নগর আর নাগর। ফেসবুক সমাচার-এ ছিল শুভ্র চট্টোপাধ্যায়ের রম্য। তেমনই ব্লগবুক বিভাগে ছিল শিলিগুড়ির ‘চৌকাঠ’ ব্লগজিনের একটি প্রাসঙ্গিক সম্পাদকীয়। কাঠবাস্তব বিভাগে ছিল প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের প্রবন্ধ: নিরোরা নোয়া হতে চায়নি কখনো। সমসাময়িক সময়ে এ লেখা না পড়া পাপ! এছাড়া উত্তরবঙ্গে প্রায় অনালোচিত ‘পীরবাবা’দের আলোচনা সূত্রে কৃষ্ণেন্দু রায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ। ছিল প্রথিতযশা গল্পকার হিরণ্ময় গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প ‘ইনক্লাইন’। এছাড়া যাবতীয় নিয়মিত বিভাগ তো ছিলই বাড়তি পাওনা যেটা এ সংখ্যার সেটা হলো এই সংখ্যা থেকেই শুরু হয়েছে কবি সুকান্ত দাসের আলোচনায় প্রথম দশকের কবিতার ওপর আলোপাত। সংখ্যাটির প্রচ্ছদশিল্পী: জস এ. স্মিথ। সংখ্যাটি উৎসর্গীত ‘নিরস্ত্র ইবলিশ’কে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্লগজিনটি পড়া যায়। (ব্লগ: https://iblish7.blogspot.com/, এছাড়া মূল ব্লগ https://www.iblish.in/-তেও সংখ্যাটি পাওয়া যায়)

*******

ইবলিশের অষ্টম সংখ্যা ‘শতবর্ষে আহমদ শরীফ’। 

********

যোগাযোগ - editoriblish.rahebul@gmail.com 

ওয়েবসাইট - https://www.iblish.in/

No comments:

Post a Comment

যে পথে হাঁটছি...

চৈতালি ধরিত্রীকন্যা ' যে পথে হাঁটছি 'র পাঠ-প্রতিক্রিয়া  আলোচক: অমিত দাস     ১. ' কেমন করে ঠোঁট কাঁপে গরম চা দেখে ? দুটি পা...

অধিক পঠিত পোস্ট